কবিতা চতুষ্টয়

কবিতা এক : সেবক ও প্রবঞ্চক

 
প্রবঞ্চকের মতো উড়ে যায়
 
আকাশে আকাশ
 
তৃষ্ণার নদী বয়ে যায়,
 
ক্ষয়ে গেলে তারও কিছুকাল
 
পৃথিবীতে আদরের দাগ রয়ে যায় ।

 
নিজের গতির চেয়ে ধীরতম নদী
 
এ সত্য জানা আছে তার
 
পৃথিবীর তৃষ্ণা বড়ো
 
পৃথিবী তৃষিত অপার ।

 

কবিতা দুই : ভাইস ভার্সা

অথচ তারাতো নারী

বিপরীত উপযোগীতা,

ভাইস ভার্সা ।

তোমাদের জন্মভয়ে –

তারাও কি ডাকিনি কুহক ?

হায় শিব-সতী –

পিটুইটারি ,

বর্ষা ব্যঙের চেয়ে কাপুরুষ গলিত যুবক ।

কবিতা তিন : মার্সিয়া

বুক চাপড়ে কেদে বখসিশ নিয়ে যেতো মার্সিয়া দলের নারী

পেছনে মৃতের স্বজন তারা খুব আনন্দিত , কেননা

টাকার পুরোটাই উসল ততক্ষণে

আহা  ! এমন কান্না তো সে… 

নিজের যে গেছে – তার জন্য কাঁদেনি ।

 

তপ্ত বালু ততক্ষণে শীতল

বেদুয়িন মার্সিয়ার দল –

আরবের পথে পথে এই বলে হাসছে ;

এর চেয়ে কত বেশি কেঁদেছিল সেই শহরে

কই , মানুষ তো এতো সমাদর করলো না  

এ শহরের মানুষ তো বেশ মহাপ্রভূ !

তাদের মঙ্গল করো ,

তাদের নারীকে অক্ষম পুরুষেই তৃপ্ত করে দাও,

উটের ওলানে দাও দুধের নহর ।

 

পেছনে স্বজন

মৃত মানুষের দেহ মাটির কাছে

জীবিতরা যার যার গন্তব্যে ।

 

মার্সিয়া নারী !

এখন কোথায় থাকো ? আশ্চর্য নারীদের ভীড়ে ?

 

কবিতা চার : নষ্টনীড়

ফিরে আয় পাখি নষ্টনীড়ের কাছে

ফিরে আয় তোর ক্লান্ত ডানায়-এখনো জীবন আছে ।

প্রকৃতনীড় ভুলে গেছে সব – বিগত দিনের পাপ ,

আকাশ অধরা ! আকাশ অসুখ ! আকাশ নিরুত্তাপ !

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s